ভাবনায় স্থাপত্য – পিটার জুমফর (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ)

The hard core of beauty

সৌন্দর্যের চরমতা
১৯৯১

দুই সপ্তাহ আগে আমি রেডিওতে একটা অনুষ্ঠান শুনছিলাম। অনুষ্ঠানটা ছিল মার্কিন কবি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামের উপরযার শিরোনাম ছিল “সৌন্দর্যের চরমতা”। সৌন্দর্যের যে একটা চরম সীমা আছে – এই ভাবনাটা আমার ভাল লাগল। সৌন্দর্য আর চরম সীমার- এই সম্পর্কের ব্যাপারটার খানিকটা আভাস আমি খুঁজে পেলাম পরবর্তীতে আমার স্থাপত্য নিয়ে ভাববার সময়। উইলিয়াম যেন বলছিলেন, ” মেশিনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু থাকে না।” সাথে সাথেই আমার মনে হলো – পিটার হ্যান্ডকি (Peter Handke) যেন এমনই একটা ভাবনার প্রতি ইঙ্গিত করেন। তার হতাশাটা আমি বুঝতে পারিযখন তিনি বলেন- প্রকৃতিতেই সৌন্দর্যের বাসপরিণত বস্তু যখন আমাদেরকে কোন কিছু নির্দেশ করে নাকিমবা যখন তিনি নিজে থেকে কোন কিছুর অর্থ করতে পারেন না।

বেতারের ঐ অনুষ্ঠান থেকেই তখন আমি জানলাম যেকোন কিছুর নিজস্বতার বাইরে অন্য কোন আইডিয়া নেই – এই বিবেচনাই ধারণ করে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের কবিতা। নিজের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতিগুলোকে বাস্তবিক জগতে (world of things) নিয়ে গিয়ে সেগুলোকে তার নিজের করে নেওয়াই তার শিল্পের লক্ষ্য।

সঞ্চালক বলছিলেন, এই ব্যাপারটা উইলিয়ামের কাজে দৃশ্যত নৈর্ব্যক্তিক এবং অল্প-কথায় অর্থপূর্ণ ভাবে ঘটেআর এই কারণেই তার লেখনীর এতটা আবেগময় প্রভাব।

কথাগুলো আমাকে আকৃষ্ট করল। বলল বিল্ডিং নিয়ে আবেগী হয়ে উঠতে আগ্রহী না হতেতারপরও আবেগকে জাগতে দিলামপ্রকাশিত হতে দিলাম।

সৌন্দর্যের চরমতা : একিভূত/জমাটবদ্ধ উপাদান।

(অসমাপ্ত)

 

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s